রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩০
Live TV
সর্বশেষ

লেখক:মুহাম্মদ বাহাউদ্দিন, খলিফাঃপীর সাহেব জৈনপুরী মুদাররিস:দারুল আরাকাম মাদ্রাসা।

আধুনিক ইসলামীক প্রশ্ন- উওর

লেখক:মুহাম্মদ বাহাউদ্দিন, খলিফাঃপীর সাহেব জৈনপুরী মুদাররিস:দারুল আরাকাম মাদ্রাসা।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১:৫০ পিএম | 73
আধুনিক ইসলামীক প্রশ্ন- উওর
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১:৫০ পিএম | 73

প্রশ্ন :জামাল রংপুর।
প্রশ্ন১:
নামাজের মধ্যে যদি ইমাম সাহেবের ওযু চলে যায় তাহলে এটার মাসয়ালা কি।

প্রশ্ন২:
নামাজের মধ্যে ইমাম সাহেবের পিছনে থেকে কোনো মুসাল্লি যদি উচ্চ আওয়াজে হাসা হাসি করে তাহলে কি জামাতের কোনো ক্ষতি হবে।

প্রশ্ন৩:
কোনো মুসলমান ব্যক্তি যদি ইচ্ছা কৃত ভাবে নামাজ ছেড়ে দেয় তাহলে সে কি কাফির না ফাঁসিক হবে।

বিঃদ্রঃ যারা জানেন তারা দলিল দিয়ে
বুজিয়ে দিবেন।
১ম প্রশের উত্তর : ইমামের অজু চলে গেলে, পিছনে মুয়াজ্জিন বা তার সমকক্ষ কেউ থাকলে, তাকে উপরে তুলে দিবে ইমাম সাহেব ইমামতি করার জন্য, মুসল্লীদের পাশ কাটিয়ে ইমাম অজু করতে চলে যাবে।
২য় প্রশ্নের উত্তর : জামাআতে নামাজ চলাকালিন সময়ে স্থানীয় কিছু লোক উচু আওয়াজে কথা বলে, এটা মসজিদের যেমন আদবের খেলাফ হয়? তেমনি নামাজিদেরও বড় সমস্যা হয়। তাই সতর্কতার সহিত কথা বলা ও আস্তে আস্তে মসজিদে প্রবেশ করা খুবই উত্তম কাজ।
৩য় প্রশ্নের উত্তর :
ইচ্ছা করে নামাজ ছেড়ে দেওয়ার গুনাহ

ইচ্ছা করে কখনো নামাজ ছেড়ে দেওয়া যাবে না এবং নামাজ আদায়ের প্রতি অবহেলা দেখানো যাবে না। কারণ, ইচ্ছা করে নামাজ ছেড়ে দেওয়া কবিরা গুনাহ। এতে কোন সন্দেহ নেই। এটা কুফরীর মতো কাজ। হজরত মুআজ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দশটি নসিহত করেন, তার মধ্যে বিশেষ একটি এটাও যে তুমি ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ত্যাগ করো না। কারণ, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ত্যাগ করল তার ওপর আল্লাহ তাআলার কোনো জিম্মাদারি থাকল না।’ (মুসনাদ আহমাদ ৫/২৩৮)
প্রশ্ন ঃরাকিব মানিকছড়ি।
★★পবিত্র কোরআনের আরেক আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বেনামাজিদের ব্যাপারে বলেছেন, ‘নবী ও হেদায়েতপ্রাপ্তদের পর এলো এমন এক অপদার্থ বংশধর, যারা নামাজ বিনষ্ট করল এবং প্রবৃত্তির পূজারি হলো। সুতরাং তারা ‘গাই’ নামক জাহান্নামের
শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।’ (সূরা মারইয়াম, আয়াত, ৫৯)
আমরা দুই ভাই দুই বোন।(আলহামদুলিল্লাহ) এত বছর পরিবার এতটা সাবলম্বি ছিলো না দেখে আক্বিকা দিতে পারে নি। শুরুতে সংসার অনেক কষ্টে কেটেছে। এখন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছি আমরা। এখন আম্মু আব্বু আমাদের আক্বিকা দিতে চাচ্ছেন। এখন একজন হুজুরের কাছে প্রশ্ন করায় হুজুর আবার বলেছেন, আগে আম্মু আব্বুর নিজেদের আকিকা করতে হবে। কারণ বাব-মা’র আকিকা না হলে সন্তানের আক্বিকা করা যাবে না। এখন জানতে চাই,
১. এখন কি আগে মা বাবার আক্বিকার অনুষ্ঠান করা উচিত। (অনুষ্ঠান না করে কোনো এতিমখানা বা মাদ্রাসায় বেশিরভাগ অংশ দিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ)
২. সেই আকিকার গোস্ত ছেলে-সন্তান খেতে পারবে?
৩. আকিকার গোশত আত্মীয় স্বজনদের না দিল কি আকিকা বাতিল হয়ে যাবে?
৪. নিজেদের অংশ কতটুকু খাওয়া জায়েজ আর কোথাও দিয়ে দিলে তাদের কতটুকু দিতেই হবে?

এই প্রশ্নগুলোর সমাধান পেলে অনেক উপকৃত হবো। জাজাকুমুল্লাহু খইরন।
উত্তর :১. মা-বাবার আগেও সন্তানের আকিকা দেওয়া যাবে।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, যার সন্তান ভূমিষ্ট হয়, সে যদি শিশুটির পক্ষ থেকে আকীকা করা পছন্দ করে, তাহলে যেন তাই করে। (সুনান নাসায়ী: ২/১৬৭)।
২. হ্যাঁ আকিকার গোস্ত ছেলে সন্তান খেতে পারবে।(ইলাউস্ সুনান ১৭/১১৬; তুহফা ৭৮)
হযরত আয়েশা রা. বলেন, (আকীকার গোশত) নিজে খাবে, অন্যদের খাওয়াবে এবং সদকা করবে।
-মুসতাদরাকে হাকেম ৫/৩৩৮; আলমুগনী ১৩/৩৯৩, ৩৯৭, ৪০০; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ১২/৩২৭, হাদীস : ২৪৭৪৩, ২৪৭৩৭; মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ৪/৩২৯, ৩৩০, ৩৩১; তুহফাতুল মাওদূদ বি আহকামিল মাওলূদ ৭৮
৩. আত্মীয়-স্বজনদেরকে দেওয়ার কথা হাদিসে আছে। তবে এদেরকে না দিলে আকিকা বাতিল হবে না। এদেরকে দেওয়া উত্তম।
৪. আকিকার গোস্ত বন্টনে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। তবে রান্না করে সকলকেও খাওয়াতে পারে। এ পদ্ধতিটি আমাদের দেশে বেশি প্রচলিত।

প্রশ্ন:সাইমুন, পটুয়াখালী।
প্রথমে কেউ যদি উমরাহ করে, এই উমরার কারণে কি তার উপর হজ্জ ফরজ হবে???
উত্তর :না
প্রশ্ন:আ:কাদের
লেপ বা তোষকের মধ্যে বীর্য লেগে শুকিয়ে গেলে এই লেপ ব্যবহার করা যাবে?না ধৌত করতে হবে?
উত্তর :ময়লা যদি তোশকের উপরিভাগে থাকে তাহলে তা ঘষে ফেলে দিলে হবে।

প্রশ্ন :কাওছার, কালামপুর
গাছ কে কাটিং করে এক গাছে দুই রকমের ফল ধরানো হয়,
এমন টি করলে কোনো গুনাহ হবে??
উত্তর :না
প্রশ্ন:বেল্লাল বেপারি,ঢাকা,উওরা।
উত্তর :Tawakkul Mart – তাওয়াক্কুল মার্ট সপ্নে কোন কিছু দেখলে তা পূরণ করা আবশ্যক নয়। সপ্ন শরীয়তের কোন অংশ ও নয়। সুতরাং আপনার জন্য মিষ্টি বিতরণ করা আবশ্যক নয়। তবে মনে চাইলে বিতরণ করতে পারেন। আর সপ্নের বিষয় কখনো ফেসবুকে শেয়ার না কোন বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের শরনাপন্ন হয়ে জিজ্ঞাসা করে নিবেন। নতুবা কখনো কোন ব্যক্তি না যেনে উল্টাপাল্টা ব্যখা করলে আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে। আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সঠিক বুঝ দান করুন আমীন।

প্রশ্ন:শাকিল লাহরি, বরিশাল।
Like মানে যেহেতু সমর্থন। চাইলে ইসলামিক পোস্টে like দিয়ে নেকি অথবা পাপ ও নাজায়েজ পোস্টে like দিয়ে গুনাহ হবে কি না?

উওর :মন্দ কাজের সমর্থনে লাইক দিলে গুনা হবে এটাই স্বাভাবিক।
প্রশ্ন:নবী উল্লাহ,হায়দারাবাদ।
আমাকে একজন লোক প্রশ্ন করছে যে, ইস্তেন্জা করে শুধু টিস্যু ব্যবহার করলে পবিত্র হবে, নাকি টিস্যু ব্যবহার করে পানিও ব্যবহার করতে হবে? দুইটিই করতে হবে নাকি একটি করলেই চলবে?

উত্তর :টিস্যু এবং পানি উভয়টি ব্যবহার করতে হবে। কারণ আমাদের বাংলাদেশের মানুষের মল হলো তরল। এগুলো আশপাশে ছড়িয়ে যায়।

প্রশ্ন :আ:মোমেন,রাজশাহি।
মাজহাবে হানাফি আকিদায়ে আশআরী মাতুরীদি।লা
মাজহাবীরা বলে আমরা আবু হানিফার আকিদা কেন মানিনা??

আর হানাফি মাদরাসায় নাকি আবু হানিফার কোন কিতাব পড়ানো হয় না -একথা কি ঠিক?
উত্তর :
এগুলো বৃত্তিহীন বা শুধু শুধু আপত্তি । غير ذوى العقول ভাইদের আল্লাহ তাআলা সঠিক বুঝ দান করুক।
প্রশ্ন:রহিমা আক্তার,শালতা।

আসসালামু আলাইকুম।

মসজিদে এরকম আরবী লেখা কার্পেটের উপর দিয়ে হেটে যাওয়া উচিৎ হবে কি না।

উত্তর :লেখা যেহেতু আসবাবুল ইলম । অর্থাৎ জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম। তাই এগুলোকে না পাড়ানোই উত্তম।

error: Content is protected !!