বুধবার, ২২ মে, ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
Live TV
সর্বশেষ

ফিলখানা মা‌নে হা‌তিশালা

দৈনিক দ্বীনের আলোঃ
২৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ১:১১ পূর্বাহ্ণ | 55
ফিলখানা মা‌নে হা‌তিশালা
২৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ১:১১ পূর্বাহ্ণ | 55
ফিল (ফীল) আর‌বি শব্দ। মা‌নে হা‌তি। আর ফিলখানা মা‌নে হা‌তিশালা। সময়ের পরিক্রমায় সেটাই হয়ে গেছে পিলখানা। মোগল আমলে ঢাকার আজিমপুরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত পিলখানা ছিল রাজকীয় হাতিশাল। শুধু তাই নয় স্থানীয় জমিদাররাও অর্থের বিনিময়ে পিলখানায় ব্যক্তিগত হাতি রাখতে পার‌তেন।
এখান থে‌কেই অখন্ড বাংলার বিভিন্ন অংশ থেকে সংগৃহীত হাতিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে ব্রিটিশ ভারতের নানা স্থানে কাজ করানোর জন্য পাঠানো হতো। এমনকি উনিশ শতকের শেষদিকেও এখানে হাতি ধরার কৌশল প্রদর্শিত হতো।
১৮৮১ সালে ঢাকার পিলখানার এই হাতিগুলোর দেখভালের জন্য একজন সুপারিন্টেন্ডেন্ট, একজন হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট, দুইজন ভেটেরিনারি সার্জন, তিনজন ক্লার্ক, একজন পশু হিসাবকারী এবং বেশ কয়েকজন মাহুত নিযুক্ত ছিল। ‌
মোগল‌দের ম‌তো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীরও ভারতব‌র্ষে রসদ, খাদ্য ও অন্যান্য সম্ভার বহনের জন্য হাতির প্রয়োজন হতো। ১৯০০ সালে নিয়মিত হাতি ধরার সংস্থাটি ঢাকা থেকে মায়ানমারে স্তানান্তরিত করা হয়, কেননা অধিক হাতি ধরার ফলে গারো পাহাড়ে হাতির পাল নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল। ‌মোগল আম‌লে ঢাকার মাহুতটুলিতে পিলখানার হাতির মাহুতরা থাকতেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির মাত্র কয়েক বছর আগে এ এলাকা থেকে সবগুলো হাতি সরিয়ে নেয়া হয়।
ছ‌বি : ১৯০৪ সা‌লে জার্মান আলোক‌চিত্রী ফ্রিৎজ কা‌পের তোলা ছ‌বি‌তে পিলখানার হা‌তির পাল। ছবিটি কৃ‌ত্রিম বু‌দ্ধিমত্তার সাহা‌য্যে র‌ঙিন করা হ‌য়ে‌ছে। আর মূল ছ‌বি‌টি দেওয়া হ‌য়ে‌ছে ক‌মেন্ট ব‌ক্সে।
error: Content is protected !!