শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪, ৮ আষাঢ়, ১৪৩১
Live TV
সর্বশেষ

মৌলভীবাজারে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ডিসি বরাবর মেম্বারদের অভিযোগ

দৈনিক দ্বীনের আলোঃ
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০:৩০ অপরাহ্ণ | 71
মৌলভীবাজারে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ডিসি বরাবর মেম্বারদের অভিযোগ
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০:৩০ অপরাহ্ণ | 71

 

অজিত দাস মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ

টিসিবি’র মালামাল কি করবেন, না করবেন এটা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমাদের কোন কথা বলার অধিকার নাই। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ৮ জন মেম্বারের দেয়া টিসিবি’র মালামাল বিতরণে অনিয়ম-দূর্ণীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউপি কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগকারীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেছেন ইউএনও নাসরিন চৌধুরী।

চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে ইউএনও’র এমন বক্তব্যে সংক্ষুব্ধ মেম্বারগণ ৫ ফেব্রুয়ারী জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে প্রকাশ- ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউপি’র জন্য বরাদ্দকৃত অনুদানের টিআর, কাবিখা ইত্যাদির, হাটবাজার ও স্থানীয় সরকারের সকল বরাদ্দের এবং ইউপি’র আয়ব্যয়ের হিসাব মেম্বারগণকে অবহিত না করে ও কাজ না করিয়ে নিজের ইচ্ছামতো বিল তুলে নেন। প্রতিমাসে টিসিবির মালামালের কিছু অংশ বিতরণ করে বাকী মালামাল নিজে বিক্রিসহ তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছেন। এসব বিষয়ে ইউপি সচিবও কোন সদুত্তর দেননা।

অভিযোগকারীরা এই প্রতিবেদকে জানান, চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেন, ডিপ টিউবওয়েল দেয়ার কথা বলে ইউনিয়নের শতাধিক মানুষের কাছ থেকে ৩০-৪০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও ডিপ টিউবওয়েল না দিয়ে টাকাগুলো আত্মসাৎ করে নিচ্ছেন। এ নিয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে মাঝে মধ্যে বাকবিতন্ডাও হয় এমন একটি ভিডিও প্রতিবেদকের কাছে রক্ষিত রয়েছে।

ইউপির মাসিক সভায় মেম্বারগণ এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যান গত ৩ মাস যাবৎ মাসিক সভা বন্ধ রেখেছেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারী মেম্বারগণ ইউপি অফিসের অতিথি কক্ষে চেয়ারম্যানের লুকিয়ে রাখা প্রতিটি ২ লিটার করে ৩৬ বোতল সয়াবিন তেল, প্রতিটি ২ কেজি করে ৩৬ প্যাকেট ডাল ও প্রতিটি ৫ কেজি করে ৩৬ প্যাকেট চাল উদ্ধার করেন এবং বিষয়টি সদর ইউএনওকে অবহিত করেন।

এর প্রেক্ষিতে ইউপি অফিসে এসে অভিযোগকারীগণকে ইউএনও বলেন, “টিসিবির মালামাল চেয়ারম্যান কি করবেন, না করবেন এটা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ব্যাপার”। এ বিষয়ে আমাদের কোন কথা বলার অধিকার নাই।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় মুঠোফোনে জানতে চাইলে ইউএনও নাসরিন চৌধুরী বলেন, এব্যাপারে আমি কোন বক্তব্য দেবো না,এই অভিযোগপত্রে আমাকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে বিষয়টি যেহেতু ডিসির কাছে তিনি খতিয়ে দেখবেন।

চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেন বলেন,দাখিলকৃত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট, কয়েকজন সদস্য তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে আমার মানহানী করার লক্ষ্যে তারা আমার বিরুদ্ধে ডিসির কাছে এমন অভিযোগ করেছেন।

error: Content is protected !!