শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ২৯ আষাঢ়, ১৪৩১
Live TV
সর্বশেষ

নরসিংদীর শিবপুর বিনা অনুমতিতে প্রতিবছরই গরুর হাট বসান রাখিল

দৈনিক দ্বীনের আলোঃ
১৩ জুন, ২০২৪, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ | 9
নরসিংদীর শিবপুর বিনা অনুমতিতে প্রতিবছরই গরুর হাট বসান রাখিল
১৩ জুন, ২০২৪, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ | 9

জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী ঃ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শিবপুর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি রাখিল ভূইয়া অবৈধ পশুর হাট বসিয়েছেন।আজ ১২ জুন(বুধবার)শিবপুর চক্রধা ইউনিয়নের মজিলসপুর ফুলতলায় রাখিল সুপার মার্কেটের সামনে অবৈধভাবে প্রতি বছর কোরবানির পশুর হাট বসান রাখিল ।আওয়ামী লীগ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় তিনি বসিয়েছেন এই অবৈধ পশুর হাট।এই হাট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা টোল আদায় করে আত্মসাৎ করার পাঁয়তারা করেছেন তিনি। এতে করে সরকার হারাবে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।সরকারি নির্ধারিত হারের চেয়েও অধিক পরিমাণ টোল আদায় করছেন তিনি বলে জানা যায়।গত ০৯ তারিখ শিবপুর উপজেলায় ১৬ টি অস্থায়ী পশুরহাট এর ইজারা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কোন ইজারা না নিয়ে প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনের সামনেই অবৈধ পশুর হাট বসিয়েছেন রাখিল।তার অবৈধ পশুর হাট বসানোর কারণে বৈধ ইজারা দাররা পড়েছেন হুমকির মুখে। দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে

নিজের স্বার্থে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেই যাচ্ছেন রাখিল।গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন।কিন্তু অদৃশ্য কারণে তিনি শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। গুঞ্জন উঠে জামানত হারানোর ভয় ও মোটা অংকের টাকা খেয়ে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।উপজেলা নির্বাচনের পর শিবপুর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ তার এক জনসভায় বলেন,রাখিল সাহেব আপনি তো সারা জীবন বাটপারি করেছেন, প্রতারণা করেছেন, দালালি করেছেন।১৯৭৮ সালে প্রতারণা করে আড়াই লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি।সেখান থেকে বাঁচার জন্য আমার পায়ে ধরেছিলেন।তার জন্য আমি হারুন খাঁর পায়ে ধরেছিলাম।তিনি ভুয়া বিএ পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে শিবপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হয়েছেন।জীবনে তিনি বিএ পরীক্ষাই দেননি। এছাড়া ও রাখিল এর ছত্রছায়ায় থাকিয়া ভূয়া পত্রিকার কার্ড সংগ্রহ করে ভূয়া সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে শিবপুর প্রেসক্লাব এর সদস্য হয়ে সাংবাদিক পরিচয় এর মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে , এরা দলগত , সঙ্গ বদ্ধ ,ও কিশোর গ্যাং এর সাথে জড়িত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদের বাণী প্রকাশ করতে সাহস পায় না।
আওয়ামী লীগ এর পদে থেকে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার জন্য অবৈধ পশুর হাট বসানোর কারণে সর্বত্র অবৈধ গরুর হাট বসানোর বিষয়টা নিয়ে কানাঘুষা ও সমালোচনা চলছে।অবৈধ পশুর হাটের বিষয়ে মোবাইলে রাখিল ভূইয়া জানান,আমার মৌখিক অনুমতি আছে,প্রতিবছরই এখানে হাট বসে,টাকা সরকারের ফান্ডে জমা দেওয়া হয়।কিন্তু মৌখিক অনুমতি কে দিয়েছেন তাকে, সেটা তিনি স্পষ্ট করেনি,তাছাড়া মুখে অনুমতি নিয়ে কেউ হাট বসাতে পারে না,অন্যদিকে সরকারি রাজস্ব দেওয়ার কোন দলিল, প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।তার বক্তব্য এক ধরনের প্রতারণা।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো:সজীব এ বিষয়ে মোবাইলে জানান,অস্থায়ী এই হাটের কোন বৈধতা নেই,বিষয়টা আমি জেনেছি,এই হাট বন্ধ করে দেয়া হবে।

error: Content is protected !!